মাথা ঘোরা কমানোর উপায়

 

মাথা ঘোরা কমানোর উপায় সম্পর্কে অনেকে জানতে চাই, কারণ এটি একটি সাধারণ সমস্যা হলেও, দৈনন্দিন কাজে সমস্যা সৃষ্টি করে। তাছাড়া বিভিন্ন রোগের লক্ষণ হতে পারে আর সেই রোগ থেকে দ্রুত আরাম পাওয়ার জন্য মাথা ঘোরা কমানোর উপায় সম্পর্কে মানুষ জানতে চাই। অনেক কারণেই মাথা ঘোরার সমস্যা হতে পারে। রক্তের চাপ কমে যাওয়া, হার্টের কার্যক্রম সমস্যা, রক্তস্বল্পতা, হাইপোগ্লাইসেমিয়া, দৃষ্টিশক্তি সমস্যা, মাথায় আঘাত ইত্যাদি কারণে মাথা ঘুরে থাকে।  

মাথা-ঘোরা-কমানোর-উপায়

মাথা ঘোরা বলতে বুঝানো হয়েছে এমন একটি অনুভূতি, একজন ব্যক্তি মনে করেন তার চারপাশ ঘুরছে, তিনি নিজেই ঘুরছেন, শরীরের ভারসাম্য হারাচ্ছেন, অথবা অস্থির ও দুর্বল লাগছে। এটি নিজে কোন রোগ নয়; বরং বিভিন্ন শারীরিক  বা মানসিক সমস্যার একটি উপসর্গ। মাথা ঘোরা কমানোর উপায় সম্পর্ক তাই সবার জানা খুবি গুরুত্বপূর্ণ। 

সূচিপত্র : মাথা ঘোরা কমানোর উপায় 

মাথা ঘোরা কমানোর উপায়

মাথা ঘোরা কমানোর উপায় এই বিষয়টি অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। নানান কারণে মাথা ঘোরায়, যেমন, রক্তের চাপ কমে যাওয়া, হার্টের কার্যক্রম সমস্যা, রক্তস্বল্পতা, দৃষ্টিশক্তি সমস্যা, মাইগ্রেন, উদ্বেগজনিত সমস্যা, মাথায় আঘাত ইত্যাদি কারণে ঘুরতে পারে। এছাড়া পানির স্বল্পতা, মানসিক চাপ, হর মনের পরিবর্তন ইত্যাদি কারণেও এ সমস্যা হতে পারে। মাথাব্যাথা, দুর্বলতা, শ্বাস-প্রশ্বাসে অসুবিধা, বমি বমি ভাব ইত্যাদি মাথা ঘোরার লক্ষণ, মাথা ঘোরা কমানোর উপায় সম্পর্কে নিচে লেখা হলো।

পানি স্বল্পতার কারণে অনেক সময় মাথা ঘোরার সমস্যা হয়। এমন হলে পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করুন। প্রতিদিন ৩-৪ লিটার পানি পান করুন। পাশাপাশি আপনি সামান্য মধু দিয়ে চা পান করতে পারেন। এছাড়াও খেতে পারেন নানান ধরনের ফলের জুস। যদি বমি ভাব হয় তাহলে আদা খেতে পারেন। আদা বমি কমাতে খুবই উপকারী। আবার মাথা ঘোরা অনুভব করলে এক জায়গায় বসে জোরে জোরে শ্বাস নিন। প্রতিদিনের যদি ডায়েট শাকসবজি, ফল ও নানা ধরনের প্রোটিন রাখা যায় তাহলে মাথা ঘোরানোর সমস্যা হওয়ার কথা নয়। মাথা ঘোরা কমানোর উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত আরো নিচে দেওয়া হলো।

পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুমাতে হবে 

মাথা ঘোরা কমানোর উপায় এরমধ্যে সবচেয়ে কার্যকরী উপায় হচ্ছে একজন মানুষের পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুম। পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুম না হলে শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে, ফলে মাথা ঘোরা অনুভূতি হয়। একজন মানুষের দৈনিক ৭-৯ ঘন্টা ঘুমানো প্রয়োজন। আর এই ভালো ঘুমের জন্য অন্তত ৩০-৬০ আগে মোবাইল বা কম্পিউটার ব্যবহার কমিয়ে দিন। শোবার ঘর শান্ত, অন্ধকারে ও আরামদায়ক রাখুন। সুতরাং রাতে পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুম হলে মাথা ঘোরা থাকবে না। 

পর্যাপ্ত ও মানসম্মত ঘুম সুস্থ শরীর ও মস্তিষ্কের জন্য অন্তত গুরুত্বপূর্ণ। যদি ঠিকমতো ঘুম না হয় তাহলে শরীর ক্লান্ত হয়ে পড়ে, মনোযোগ কমে যায়, রক্তচাপের পরিবর্তন হতে পারে, যার ফলে মাথা ঘোরা বা ভারসাম্যহীনতার মতো সমস্যা দেখা দেয়। তাই প্রতিদিন  নিয়মিত ও পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করা মাথা ঘোরা কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। মাথা ঘোরা কমানোর উপায় এর মধ্যে পর্যাপ্ত ঘুম গুরুত্বপূর্ণ। 

পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে 

মাথা ঘোরা কমানোর উপায় এরমধ্যে শরীরকে সুস্থ রাখতে পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার কোন বিকল্প নেই। দীর্ঘ সময় ধরে খালি পেটে থাকবেন না। খাবার তালিকায় নিয়মিত ফল, শাক সবজি, ডিম, মাছ, দুধ আয়রনসমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে। পাশাপাশি লাল চাল, আটার রুটি, বা অন্যান্য পূর্ণ শস্যজাত খাবার দীর্ঘ সময় শরীরকে শক্তি জোগায়। এছাড়াও ভিটামিন বি১২ সমৃদ্ধ খাবার রক্তশূন্যতা প্রতিরোধে সাহায্য করে, যা মাথা ঘোরার একটি লক্ষণ হতে পারে। 

পুষ্টিকর খাবার শরীরকে শক্তি জোগায়, যার ফলে মাথা ঘোরা প্রতিরোধ করে। আবার দীর্ঘ সময় খাবার না খেয়ে থাকা যাবে না। প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে অল্প অল্প করে হলেও খাওয়ার চেষ্টা করতে হবে। অতিরিক্ত তেল চর্বিযুক্ত, ভাজাপোড়া ও চিনি সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। কারণ এসব খাওয়ার ফলে শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে এবং মাথা ঘোরার অনুভূতি হয়। 

পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে 

মাথা ঘোরা কমানোর উপায় এর মধ্যে পর্যন্ত পানি পান করা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। শরীরে যদি পানি ঘাটতি দেখা দেয় তাহলে মাথা ঘোরা অনুভুতি হয়। শরীরে পর্যাপ্ত পানি না থাকলে রক্তের পরিমাণ কমে যায়, যার ফলে মস্তিষ্কে রক্ত ও অক্সিজেনের প্রভাব সাময়িকভাবে কমে গিয়ে মাথা ঘোরা অনুভূতি হয়। সুতরাং মাথা ঘোরা কমাতে পর্যাপ্ত পরিমাণ বিশুদ্ধ পানি পান করতে হবে।একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের দৈনিক প্রায় দুই ২-৩ লিটার বা ৮-১২ গ্লাস পানি পান করা উচিত। অনেক অতিরিক্ত কাজের সময় বা ব্যায়াম করার সময় শরীর থেকে ঘাম বের হয় যার ফলে মাথা ঘোরা অনুভূতি হয়। এই সময় পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করা উচিত। 

পর্যাপ্ত পানি পান করার কিছু পরামর্শ দিচ্ছি যা অনুসরণ করে চললে মাথা ঘোরা অনুভূতি হবে না। সকালে ঘুম থেকে উঠে এক গ্লাস পানি পান করতে হবে, সারাদিন অল্প অল্প করে পানি পান করতে হবে, অতিরিক্ত তৃষ্ণা লাগার অপেক্ষা না করে পানি পান করতে হবে। এভাবে সঠিক নিয়মে পানি পান করলে মাথা ঘোরা থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে। সুতরাং বলা যায় মাথা ঘোরা কমানোর উপায় এর মধ্যে ও পর্যাপ্ত পানি পান করা গুরুত্বপূর্ণ। 

ধীরে ধীরে অবস্থান পরিবর্তন করতে হবে 

মাথা ঘোরা কমানোর উপায় এর মধ্যে একটি দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে কোন কাজ তাড়াহুড়া করে করা যাবে না।ধীরে ধীরে সব কাজের অবস্থান পরিবর্তন করতে হবে। যেমন, অনেক সময় হঠাৎ করে শোয়া থেকে উঠে বসা বা বসা থেকে দ্রুত দাঁড়িয়ে গেলে মাথা ঘোরা অনুভূতি হয়। মাথা ঘোরা এড়াতে অবস্থান পরিবর্তনের সময় বা কাজের সময়  তাড়াহুড়া না করে ধীরে ধীরে সেটা সম্পূর্ণ করুন। ধীরে ধীরে অবস্থান পরিবর্তন করলে মাথা ঘোরা আর হবেনা। 

পরিবর্তনের জন্য কিছু করনীয়। শোয়া থেকে উঠার আগে ৩০-৫০ সেকেন্ড বসে থাকুন। অনেকক্ষণ কোন জায়গায় বসে থেকে তারপর দাঁড়ানোর সময় ধীরে ধীরে উঠুন। উঠার সময় প্রয়োজন হলে কোন কিছুর সহায়তা নিন। এভাবে নিয়ম মেনে চললে মাথা ঘোরা আর অনুভূতি হবে না। সুতরাং বলা যায় মাথা ঘোরা কমানোর উপায় এর মধ্যে ধীরে ধীরে অবস্থান পরিবর্তন করা এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। 

মানসিক চাপ কমাতে হবে 

মাথা ঘোরা কমানোর উপায় এর মধ্যে বেশি পরিমাণ উল্লেখযোগ্য মানসিক চাপ কমানো। অতিরিক্ত মানসিক চাপ ও দুশ্চিন্তার ফলে মাথা ঘোরা অনুভূতি হয়। দীর্ঘদিন ধরে মানসিক চাপ থাকলে শরীরের স্বাভাবিক কার্যক্রমে  প্রভাব পড়ে এরফলে মাথা ঘোরা অনুভূতি হয় এবং পরবর্তীতে এটা আরো বেড়ে যায়। মাথা ঘোরা কমাতে মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। নিয়মিত গভীর শ্বাস-প্রশ্বাস বা হালকা যোগব্যায়াম করার অভ্যাস করুন যা মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। 

মানসিক চাপ কমানোর কিছু কার্যকর উপায় রয়েছে। যেমন, প্রতিদিন ১০ থেকে ২০ মিনিট কবি শ্বাস প্রশ্বাস অনুশীলন করুন, পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুমান, অতিরিক্ত কাজের চাপ এড়িয়ে একটু বিশ্রাম করুন। এভাবে নিয়ম মেপে কাজ করলে মানসিক চাপ কমে যায় যার ফলে মস্তিষ্ক শীতল থাকে। এবং মাথা ঘোরা অনুভূতি থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। সুতরাং মাথা ঘোরা কমানোর উপায় এর মধ্যে মানসিক চাপ কমানো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। 

অতিরিক্ত গরম পরিবেশ এড়িয়ে চলতে হবে

মাথা ঘোরা কমানোর উপায় এর মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে অতিরিক্ত গরম পরিবেশ এড়িয়ে চলা। অতিরিক্ত গরম আবহাওয়া বা দীর্ঘ সময় রোদে থাকলে শরীর থেকে ঘাম বের হয় যার, ফলে পানি শূন্যতা দেখা দেয় এবং শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে ফলে মাথা ঘোরা অনুভূতি হয়। সুতরাং মাথা ঘোরা কমাতে হলে অতিরিক্ত গরম পরিবেশ এড়িয়ে চলতে হবে। যেমন, বাইরে কোথাও গেলে ছাতি বা কেপ ব্যবহার করতে হবে যেন রোদ না লাগে। 

অতিরিক্ত গরম পরিবেশ এড়িয়ে চলার জন্য কিছু করণীয় রয়েছে। যেমন, প্রচন্ড রোদে দীর্ঘ সময় অবস্থান করবেন না, গরমের সময় ছায়াযুক্ত বা থাকতে হবে, সারাদিন পর্যাপ্ত পানি বা তরল পান করতে হবে, ঘরের পরিবেশ ঠান্ডা ও বাতাস চলাচল উপযোগী রাখতে হবে। এভাবে চললে মাথা ঘোরা অনুভূতি থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে। সুতরাং মাথা ঘোরা কমানোর উপায় এর মধ্যে অতিরিক্ত গরম এড়িয়ে চলা গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। যা পালনের মাধ্যমে মাথা ঘোরা থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে। 

যেকোনো মাদকাসক্তি থেকে দূরে থাকতে হবে

মাথা ঘোরা থেকে মুক্তির উপায় পেতে হলে যেকোনো মাদকাসক্তি থেকে দূরে থাকতে হবে। যেমন মদ, গাঁজা, ইয়াবা, হেরোইন ইত্যাদি। এসব সেবনে শরীরের ভেতর নানান পরিবর্তন দেখা দেয় যার ফলে শরীর দুর্বল হয়ে যায়। মাথা ঘোরা কমাতে এবং সুস্থ জীবন যাপন করতে সব ধরনের মাদকাসক্তি থেকে দূরে থাকতে হবে। মাদক গ্রহণ না করে সুষম খাদ্য খেতে হবে। নিয়মিত ব্যায়াম, সুষম খাদ্য এগুলো শরীরকে সুস্থ রাখতে এবং মাথা ঘোরা ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। 

মাথা ঘোরা কমানোর কিছু করনীয় রয়েছে। যেমন সব ধরনের মাদকদ্রব্য নেশা জাতীয় পদার্থ পরিহার করতে হবে, ধূমপান থেকে বিরত থাকতে হবে, অতিরিক্ত এলকোহল থেকে বিরত থাকতে হবে, মাদক ছাড়ার জন্য পরিবার ও বন্ধুবান্ধবের সহযোগিতা নিন। শেষ কথা মাদক থাকতে অসুবিধা হলে দ্রুত চিকিৎসা নিন। মাথা ঘোরা থেকে বাঁচতে যেকোনো মাদকাসক্তি থেকে দূরে থাকা অত্যন্ত জরুরী। শুধু মাথা ঘোড়া নয় মাদকাসক্তি ফলে নিজের জীবনও ধ্বংস হয়ে যায়। তাই মাদকাসক্তি  থেকে দূরে থাকবো আমরা সবাই। 

নিয়মিত হালকা ব্যায়াম করতে হবে 

মাথা ঘোরা থেকে বাঁচতে নিয়মিত হালকা ব্যায়াম অত্যন্ত জরুরি ও গুরুত্বপূর্ণ। নিয়মিত ব্যায়াম করলে শরীর রক্ত সঞ্চালন উন্নত করে যার ফলে মাথা ঘোরা ঝুকি কমে যায়। তবে মাথা ঘোরা অনুভব করলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যায়াম না করে বিশ্রাম নিন এবং কারণ বোঝার চেষ্টা করুন। এছাড়া ব্যায়াম মানসিক চাপ কমায় শরীর সুস্থ রাখে যার ফলে মাথা ঘোরা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। 

নিয়মিত-হালকা-ব্যায়াম-করতে-হবে

শরীরকে সুস্থ রাখতে নিয়মিত ২০ থেকে ৩০ মিনিট হালকা ব্যাম বা হাটাঁর অভ্যাস করা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ব্যায়ামের আগে ও পরে পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করা উচিত। নিয়মিত হালকা ব্যায়াম শুধু মাথা ঘোরা ঝুঁকি কমাতে নয়, মানসিক চাপ কমাতে, শরীরকে সুস্থ রাখতে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। তাই নিয়মিত হালকা ব্যায়াম মাথা ঘোরা থেকে মুক্তির উপায় বলা যায়।  

শরীরে সঠিক পরিমাণ ভিটামিন রাখতে হবে 

শরীরে সঠিক পরিমাণ ভিটামিন না থাকলে মাথা ঘোরা অনুভূতি হয়। সুতরাং শরীরে পর্যাপ্ত পরিমাণ ভিটামিন দরকার রয়েছে। ভিটামিন বি১২ শরীরের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ভিটামিন। এছাড়াও শরীরে পর্যাপ্ত পরিমাণ সুষম খাদ্যের ফলে ভিটামিন তৈরি হয়। আজে বাজে টিপস খাওয়া যাবে না। খাদ্য তালিকায় সবুজ শাকসবজি, তাজা ফল, ডিম, মাছ, দুধ, এবং পুণ্য শস্য  জাতীয় খাবার খেতে হবে। শরীরে ভিটামিনের অভাব দেখা দিলে শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে যার জন্য মাথা ঘোরা অনুভূতি হয়। 

প্রতিদিন সুষম বৈচিত্রময় খাবার খেতে হবে, যার মধ্যে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন রয়েছে। মাথা ঘোরা কমানোর উপায়  সম্পর্কে বিস্তারিত বললে ভিটামিন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ভিটামিন শরীরকে সুস্থ ও চঞ্চল রাখে। শরীর এ প্রচুর পরিমাণ শক্তি যোগায়। সুতরাং বলা যায় মাথা ঘোরা থেকে মুক্তির উপায় হিসেবে ভিটামিন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। 

শেষ কথা :লেখকের মন্তব্য 

অনেকের মনের প্রশ্ন মাথা ঘোরা হলে কি খাবেন, কি করব, মাথা ঘোরা কেন হয় ইত্যাদি তবে এসো বিস্তারিত আমরা উপরে লিখে দিছে। আবার প্রশ্ন ডাক্তারের কাছে কখন যাব সুতরাং বলা যায় মাথা ঘোরা যখন অতিরিক্ত পরিমাণ হয় বা দীর্ঘ সময় ধরে হয় তখন ডাক্তারের পরামর্শ নেয়া অতি জরুরী। মাথা ঘোরা কেন হয় সাধারণত এটির উত্তর হলো শরীর দুর্বল, মানসিক চাপ,অপুষ্টিকর খাদ্য, ভিটামিনের অভাব ইত্যাদি কারণে হয়ে থাকে। এসব থেকে কিভাবে মুক্তি পাওয়া যায় তা উপরে সুন্দরভাবে বিস্তারিত বলা রয়েছে। 

মাথা ঘোরা কমানোর উপায় এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় কারণ মাথা ঘোরা অনুভূতির ফলে প্রতিনিয়ত আমাদের নানান কাজে অমনোযোগী প্রভাব ফেলে। মাথা ঘোরা অনুভূতি হলে সঠিকভাবে কাজকর্ম করা যায় না, মনোযোগ কমে যায়, মানসিক তাপ বৃদ্ধি পায়। ফলে আমাদের অনেক ক্ষতি হয়ে যায়। মাথা ঘোরা কে হালকা ভাবে নিলে হবে না এ বিষয়ের উপর অনেক গুরুত্ব দেওয়া দরকার। মাথা ঘোরা বেশি পরিমাণ বা দীর্ঘ সময় ধরে হলে ডাক্তারের পরামর্শ অতি জরুরী। সঠিক সময় চিকিৎসা না হলে এটি আরো বেড়ে যেতে পারে। 

সুস্থ জীবন যাপনের জন্য ছোট ছোট অভ্যাসি বড় ধরনের স্বাস্থ্য সুখী কমাতে সাহায্য করে। উপরে মাথা ঘোরা কমানোর উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত লেখা আছে। নিজের শরীরের প্রতি যত্ন নিন এবং শরীরে পর্যাপ্ত পরিমাণ পুষ্টি কার খাবার দিন। শেষ কথা মাথা ঘোরা কমানোর উপায় এই পোস্ট টি যদি  আপনার ভালো লেগে থাকে তাহলে আপনার পরিবার বা বন্ধুদের শেয়ার করুন এবং আমাদের পাশে থাকুন। ধন্যবাদ। 

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

ইটস আলামিন এর নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url